মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে, দেশের বাজারে চামড়ার দাম ৩০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। এটি আসলে ঠিক নয়। কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এতে চামড়া পাচারের আশঙ্কা বাড়বে। এ অবস্থায় আগামী এক মাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)।

শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিটিএর অফিসে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিটিএর সভাপতি শাহিন আহমেদ।

শাহিন আহমেদ বলেন, বিভিন্ন মিডিয়ায় যে খবর প্রচার করা হচ্ছে, এটি আসলে বিছিন্ন ঘটনা। পাড়া-মহল্লার লোকজন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নামে জোরপূর্বক কম দামে চামড়া কেনার দায় ট্যানারিগুলো নেবে না। ট্যানারির মালিকরা নির্ধারিত মূল্যে লবণযুক্ত চামড়া কিনবে। তবে কেউ যদি চামড়ায় সঠিকভাবে লবণ না মেশায় তাহলে সেই চামড়ার দাম পাবে না। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যানারি মালিকরা তা সংগ্রহ করবে।

তিনি বলেন, চামড়া শিল্পে ক্রান্তিকাল চলছে। বেশিরভাগ ট্যানারি উৎপাদনে নেই। গত বছরের ৪০-৪৫ শতাংশ চামড়া এখনো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। চামড়া শিল্পের এমন দশার নেপথ্যে রয়েছে সরকারি সহায়তা না থাকা আর পুঁজির সংকট।

বিটিএর সভাপতি আরো বলেন, সাভারে পরিকল্পিত ট্যানারি শিল্প গড়ে না ওঠার দায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক)। ভুল তথ্য দিয়ে ট্যানারি মালিকদের সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। এখানে যে বিনিয়োগ করেছিল ট্যানারি মালিকরা তা মাঠে মারা গেছে। বার বার সময় বাড়িয়েও এ পরিকল্পিত শিল্পনগরীর কাজ শেষ না হওয়ার দায় বিসিকের।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বিটিএর সভাপতি বলেন, সাভারে যে বিনিয়োগ করেছিল ট্যানারি মালিকরা তা মাঠে মারা গেছে। আগামীতে এ অবস্থা চলতে থাকলে বিসিকের বিরুদ্ধে মামলা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here