নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। বাংলার মানুষের মুক্তিই ছিল জাতির পিতার জীবনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ ও জাগ্রত করেছিলেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার লক্ষ্য অনুযায়ী ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই তার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্মরণে শপথে ১৫ আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা এবং বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন, সমার্থক। তিনি বাঙালি জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধু চিরকাল বাঙালি জাতির মাঝে বেঁচে থাকবেন। বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের জ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৭১-এ পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পরাজিত শক্তি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের নিষ্ঠুর ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। এ হত্যাকাণ্ড জাতিকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে সরকার কারিগরি শিক্ষার উপর জোর দিচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা দিতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। শুধু বড় ডিগ্রি নিলেই হবে না। দক্ষতা না থাকলে সমাজের বোঝা। কাজের উপযোগী দক্ষতা থাকতে হবে।’

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মুহাম্মদ সামাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, অ্যালামনাই সহ-সভাপতি মোল্লা মো. আবু কায়সার এবং সদস্য সচিব সুভাষ সিংহ রায়।

এসোসিয়েশনের সদস্য মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার সভা পরিচালনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here