রাসেল মাহমুদঃ আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আলামত গোপন করার অভিযোগে রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হারুনুর রশিদ (পিপিএম বার) এর নির্দেশে তাকে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, আড়াই হাজার থানার দায়িত্ব পালনকালে ২০১৮ সালের ২২ মে র‌্যাব-১ সাথে বন্দুক যুদ্ধে আড়াইহাজার থানার সাতগ্রাম ইউনিয়নের শিমুলতলী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী বাচ্চু নিহত হয়।

ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব বাচ্চরু ব্যবহৃত জিপগাড়িসহ ৯ হাজার ৮৩০পিস ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেন। পরে মামলার আলামত গোপন করে জিপ গাড়িটি আত্মসাৎ করেন ওসি আব্দুল হক।

প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমান পাওয়ায় মঙ্গলবার বিকেল পুলিশ সুপার মোঃ হারুনুর রশিদ (পিপিএম বার) এর নির্দেশে রূপগঞ্জ থানা থেকে মোহাম্মদ আব্দুল হককে পুলিশ লাইনে ষ্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।
ওসি আব্দুল হক ২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর রূপগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেক্টর থেকে মাসোয়ারা আদায় করতো ।

রূপগঞ্জে যোগদান করার পর বিভিন্ন আবাসন কোম্পানী, শিল্পকারখানা, থেকে মাসোয়ারা আদায় করতেন।রূপগঞ্জের ২’শ মাদক স্পট থেকে ওসির নিয়োজিত মাসোয়ারা নিতো বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে রূপগঞ্জ থানার এক উপপরিদর্শক বলেন, ওসি আব্দুল হকের কাছে থানার দাড়োগারাও জিম্মি ছিলো।
এ প্রসঙ্গে ওসি আব্দুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ষ্ঠ্যান্ড রিলিজের ব্যাপারে সত্যতা স্বীকার করে বলেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here