
সেন্টমার্টিনে নির্ধারিত সময়ের আগে জাহাজ ছেড়ে যাওয়া নিয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা তাসনিমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এক পর্যটক। এক পর্যায়ে ইউএনওকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেন তিনি। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারের নুনিয়াছটায় বিআইডব্লিউটিএর জেটিঘাটে এই ঘটনা ঘটে।
Pause
Mute
Remaining Time -10:27
Close PlayerUnibots.com
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার একটি ডিওতে দেখা যায়, একদল পর্যটক ইউএনও এবং জাহাজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও তানজিলা তাসনিম বলেন, কিছু পর্যটক দাবি করেন তাদের জাহাজ টিকেটে নির্ধারিত সময়ের আগে ছেড়ে গেছে। এই নিয়ে তারা হট্টগোল করছিলেন, আমি দায়িত্বরত অবস্থায় কারণ জানতে গেলে হঠাৎ তাদের মধ্যে ইব্রাহীম নামে এক ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা দাবি করে সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যকে আমাকে গ্রেপ্তার করার আদেশ দেন।
তিনি বলেন, এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ভিডিওটি সংরক্ষিত আছে। উনি হয়তো আমাকে চিনতে পারেননি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হলেও উনি এভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে বলার এখতিয়ার রাখেন না।
ইব্রাহীম নামের সেই ব্যক্তি নিজেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা’ পরিচয় দিয়ে বলেন, আমি স্যারকে চিনতে পারিনি, সেজন্য দুঃখিত। আমি ও আমার কলিগরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছি। আমাদের টিকেটে জাহাজ ছাড়ার সময় ৭টা লেখাছিল কিন্তু ঘাটে এসে শুনি সেটা ৬টায় ছেড়ে গেছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ঝুট গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
জাহাজমালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, নদীর নাব্যতা ও জোয়ার-ভাটার কারণে জাহাজের সূচি পরিবর্তনশীল। বেক্রুজ নামের জাহাজটি নাব্যতার কারণে ঘাট পরিবর্তন করে অন্য ঘাট দিয়ে গিয়েছে, পর্যটকরা মনে করেছেন সেটি ছেড়ে গেছে। পরবর্তীতে সেটির বিপরীতে থাকা কেয়ারি সিন্দাবাদ নামে অন্য একটি জাহাজে করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সেই ব্যক্তি ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১১ জন পর্যটক সেন্টমার্টিন যাত্রা করেছেন।
এর আগে, ১ ডিসেম্বর কক্সবাজার–সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সেন্ট মার্টিনে রাত্রী যাপনের সুযোগও রাখা হয়। এ ক্ষেত্রে সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের সরকার ঘোষিত ১২টি নির্দেশনা মেনে চলতে হচ্ছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ থাকবে।








